আম হাতে পাওয়ার পর যা করা উচিতঃ
১। আমের প্যাকেট খুব যত্ন সহকারে খুলুন।
২। প্রতিটি আম বের করে পেপার বা পাটের বস্তার উপর ধীরে ধীরে রাখুন। পাশাপাশি রাখবেন না, একত্রে স্তুপ করে রাখবেন না, খালি মেঝেতে রাখবেন না।
৩। আম রাখার স্থান যেনো অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা না হয়, মাঝারি তাপমাত্রায় রাখবেন।
৪। আম এ বারবার হাত দিয়ে চাপাচাপি করবেন না। আমের চামড়াই আম পাকার সংকেত দেবে! ভালো করে খেয়াল রাখলেই হবে ইনশা আল্লাহ।
৫। সম্পূর্ণ পাকার পরই আম খাবেন। আধা পাকা বা কাঁচা অবস্থায় খেলে অামের স্বাদ আপনাকে হতাশ করবে! টক লাগবে ৷
৬। আম কখনো উপর থেকে জোরে ফেলবেন না।
৭। কখনো কোনো আমে পচন দেখা দিলে তাকে দ্রুতই অন্যান্য আম থেকে পৃথক করুন।
৮। অনেক গুলো আম একই সাথে পেকে গেলে খেয়ে ফেলুন বা রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করুন। তা না হলে আম নষ্ট হয়ে যাবে।
৯। কুরিয়ার থেকে কেউ ছেড়া ফাটা আমের ক্যারেট গ্রহন করবেন না। ওদের অফিসেই আম ওজন করে নিবেন। কম আম হলে কুরিয়ার ডেমারেজ দিবে।
জেনে রাখা প্রয়োজনঃ
১। পরিবহন এবং সংরক্ষণের সুবিধার্থে আমরা প্রায় সবসময় পরিপক্ক কিন্তু কাঁচা আম দিয়ে থাকি। কাঁচা আম দেখে মন খারাপ করবেন না। কেননা এই আম সুন্দরভাবে সংরক্ষণ করলে ধীরে ধীরে পেকে যাবে ইনশা আল্লাহ।
২। আমের বোঁটা থাকলে তা ফেলে দিয়ে উপুড় করে রাখুন যাতে কষ বের হয়ে যেতে পারে এবং আমগুলোকে পেপার দিয়ে মুড়িয়ে রাখুন। কিছুদিনের মধ্যেই আম খাওয়ার উপযুক্ত হবে ইনশা আল্লাহ্।
☺আমগুলা খাওয়ার পূর্বে কিছু কথা মনে রাখবেন।
১/যেহেতুু আমগুলা #কৃত্তিম বিষ/#মেডিসিন মুক্ত, সেহেতু আমগুলা হাতে পাওয়ার পর একটা একটা করে নিয়ে মেঝেতে বিছিয়ে রাখবেন।
২/আম বিছিয়ে রাখার পূর্বে নিচে পেপার দিয়ে রাখবেন।এবং আমের বোটা ছিঁড়ে ফেলবেন যাতে কষ বের হয়ে যায়।
৩/ আম এমনভাবে বিছিয়ে রাখবেন যেন বোঁটার দিকটি নিচে থাকে।
৪/আম রোদে ,কিংবা AC রুমে রাখবেন না।
৫/অনেকেই ভাবতে পারেন #করোনা সংক্রমণের সময়,তাই একটু ধুঁয়ে রাখি, কিন্তুু এই কাজটি করবেন না।গাছের ফলে #করোনা এর ভাইরাস থাকে না।
তবে খাওয়ার আগে অবশ্যই ধুুঁয়ে নিবেন।


No comments